শুধু একটি বেটিং সাইট নয় — Gbagee হলো বাংলাদেশের স্পোর্টস প্রেমীদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা। নিরাপদ পেমেন্ট, বাংলা ইন্টারফেস এবং ক্রিকেট-ফুটবলের লাইভ অডস — সবকিছু এক জায়গায়।
Gbagee-র মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের প্রতিটি স্পোর্টস ভক্তের কাছে একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং সহজলভ্য বেটিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। আমরা বিশ্বাস করি প্রযুক্তি ও স্থানীয় বোঝাপড়ার সংমিশ্রণেই একটি আদর্শ প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়।
বাংলা ভাষায় সম্পূর্ণ সেবা, বিকাশ-নগদের মতো পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতি এবং স্থানীয় দলগুলোর বিশেষ কভারেজ — এই তিনটি স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে আছে Gbagee।
আমরা স্বপ্ন দেখি এমন একটি ভবিষ্যতের যেখানে বাংলাদেশের প্রতিটি কোণ থেকে মানুষ নির্ভয়ে ও আনন্দের সাথে অনলাইন বেটিং উপভোগ করতে পারবেন। প্রযুক্তি, বিশ্বাস এবং দায়িত্বশীলতা — এই তিনটি বিষয়ই Gbagee-র ভবিষ্যৎ পথের দিকনির্দেশনা।
একটি ন্যায্য, স্বচ্ছ এবং দায়িত্বশীল বেটিং পরিবেশ তৈরিই আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য — যেখানে ব্যবহারকারীর সুরক্ষা সবকিছুর আগে।
২০১৯ সালের শেষের দিকে একদল তরুণ প্রযুক্তিপ্রেমী ও স্পোর্টস উৎসাহী মিলে অনুভব করলেন যে বাংলাদেশের বেটিং বাজারে একটা বিশাল শূন্যতা আছে। বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলো ইংরেজিতে, পেমেন্ট পদ্ধতি অপরিচিত এবং স্থানীয় ম্যাচের কভারেজ অত্যন্ত সীমিত। ঠিক সেই ভাবনা থেকেই জন্ম নিল Gbagee।
শুরুতে ছোট্ট একটি টিম নিয়ে কাজ শুরু হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলা ভাষায়, পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে একটি পরিপূর্ণ বেটিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। প্রথম বছরেই বিকাশ ও নগদ ইন্টিগ্রেশন করা হয়, যা Gbagee-কে প্রতিযোগীদের থেকে আলাদা করে দেয়।
২০২০ থেকে ২০২২ — এই দুই বছরে Gbagee-র ব্যবহারকারীর সংখ্যা দশ গুণ বেড়ে যায়। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (BPL) এবং জাতীয় দলের ম্যাচে বিশেষ অডস বুস্ট চালু হওয়ার পর থেকে ক্রিকেট বেটিং বিভাগে Gbagee দ্রুতই শীর্ষ পছন্দ হয়ে ওঠে।
আজ Gbagee-তে পাঁচ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী আছেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে শুরু করে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল — দেশের প্রতিটি বিভাগ থেকে মানুষ প্রতিদিন Gbagee-তে লগইন করেন। শুধু বড় শহর নয়, মফস্বলের ব্যবহারকারীরাও মোবাইলে সহজে Gbagee উপভোগ করতে পারছেন।
আমাদের কাছে সাফল্যের সংজ্ঞা শুধু সংখ্যায় নয়। একজন ব্যবহারকারী যখন বলেন "Gbagee-তে আমি নিরাপদ বোধ করি" — সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার। প্রতিটি পেমেন্ট নিরাপদে সম্পন্ন হওয়া, প্রতিটি জয়ের অর্থ সময়মতো উইথড্র হওয়া — এই ছোট ছোট বিষয়গুলোতেই Gbagee-র পরিচয় লুকিয়ে আছে।
আমরা এখানেই থেমে নেই। ই-স্পোর্টস, ভার্চুয়াল স্পোর্টস এবং নতুন লাইভ ক্যাসিনো ফিচার নিয়ে Gbagee এগিয়ে চলেছে। আমাদের লক্ষ্য — ২০২৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও ব্যবহারকারী-বান্ধব বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা।
যে বৈশিষ্ট্যগুলো Gbagee-কে বাংলাদেশের সেরা পছন্দ করে তুলেছে
মেনু থেকে সাপোর্ট, বেটস্লিপ থেকে পেমেন্ট — সবকিছু বাংলায়। বিদেশি ভাষার ঝামেলা ছাড়াই নিজের ভাষায় উপভোগ করুন Gbagee-র সব সুবিধা।
আন্তর্জাতিক কার্ড ছাড়াই ডিপোজিট ও উইথড্র করুন। বিকাশ, নগদ ও রকেটে মাত্র কয়েক মিনিটে লেনদেন সম্পন্ন হয়।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ও BPL-এর প্রতিটি ম্যাচের জন্য বিশেষ অডস বুস্ট, লাইভ স্কোর ও পিচ রিপোর্ট পাওয়া যায় Gbagee-তে।
ম্যাচ চলাকালীন প্রতিটি বলে অডস আপডেট হয়। লাইভ ইন-প্লে বেটিংয়ে সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নিন এবং ক্যাশ-আউটের সুবিধা নিন।
SSL এনক্রিপশন, টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন এবং এন্টি-ফ্রড সিস্টেম দিয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট ও অর্থ সুরক্ষিত রাখে Gbagee।
দিনের যেকোনো সময়, রাতের যেকোনো মুহূর্তে বাংলায় সাপোর্ট পাওয়া যায়। লাইভ চ্যাট, ইমেইল ও ফোনে সহায়তা সদা প্রস্তুত।
যে নীতিগুলো Gbagee-র প্রতিটি সিদ্ধান্তকে পরিচালিত করে
প্রতিটি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা আমাদের প্রথম দায়িত্ব।
অডস, নিয়ম ও পেমেন্ট — সবকিছু পরিষ্কারভাবে জানানো হয়।
প্রতিটি ফিচার ব্যবহারকারীর সুবিধার কথা মাথায় রেখে তৈরি।
দায়িত্বশীল বেটিং নিশ্চিত করতে আমরা সর্বদা সক্রিয়।
প্রযুক্তির নতুন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সেবা উন্নত করি।
বাংলাদেশের স্পোর্টস কমিউনিটির সাথে একসাথে বেড়ে ওঠা।
একটি ছোট স্বপ্ন থেকে বাংলাদেশের অন্যতম বড় বেটিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হওয়ার পথচলা। প্রতিটি মাইলফলক আমাদের ব্যবহারকারীদের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের ফসল।
"আমরা চেয়েছিলাম এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেটা বাংলাদেশের মানুষ সত্যিকারের নিজের মনে করবেন। Gbagee সেই স্বপ্নেরই বাস্তব রূপ।"
একদল তরুণ উদ্যোক্তা Gbagee-র ধারণা নিয়ে কাজ শুরু করেন। প্রাথমিক ডেভেলপমেন্ট ও বিটা টেস্টিং পর্যায় সম্পন্ন হয়।
বাংলাদেশের মোবাইল পেমেন্ট পদ্ধতির সাথে সংযুক্তি স্থাপন করা হয়। প্রথম বছরেই ৫০ হাজার ব্যবহারকারী নিবন্ধন করেন।
রিয়েল-টাইম ইন-প্লে বেটিং ফিচার চালু হয়। BPL সিজনে রেকর্ড সংখ্যক ব্যবহারকারী একযোগে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন।
Android ও iOS অ্যাপ প্রকাশিত হয়। অ্যাপ ডাউনলোড প্রথম তিন মাসেই দুই লক্ষ ছাড়িয়ে যায়।
CS2, VALORANT ও Dota 2-এর অডস চালু হয়। তরুণ ব্যবহারকারীদের মধ্যে Gbagee-র জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বাড়ে।
নিবন্ধিত ব্যবহারকারীর সংখ্যা পাঁচ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়। নতুন লাইভ ক্যাসিনো ও ভার্চুয়াল স্পোর্টস ফিচার যুক্ত হয়।
Gbagee-র পেছনের মানুষগুলো যারা প্রতিদিন আপনার অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করতে কাজ করছেন
১০ বছরেরও বেশি ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের অন্যতম পথিকৃৎ।
বুয়েট থেকে সিএসই পাস করে আন্তর্জাতিক গেমিং কোম্পানিতে কাজ করেছেন। Gbagee-র টেকনিক্যাল অবকাঠামোর মূল রূপকার।
ক্রিকেট বিশ্লেষক ও সাবেক স্পোর্টস সাংবাদিক। BPL ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের গভীর জ্ঞান তাঁকে Gbagee-তে অপরিহার্য করে তুলেছে।
৫০ জনের সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন। ব্যবহারকারীর যেকোনো সমস্যা দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করাই তাঁর প্রধান দায়িত্ব।
Gbagee-তে প্রতিটি ব্যবহারকারীর মানসিক ও আর্থিক স্বাস্থ্য আমাদের কাছে অগ্রাধিকার। তাই আমরা শুরু থেকেই দায়িত্বশীল বেটিং টুলস যুক্ত করেছি।
যেকোনো প্রশ্ন বা সমস্যায় আমরা সর্বদা আপনার পাশে আছি
গড় রেসপন্স টাইম মাত্র ২ মিনিট